শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান দল জোর প্রচার চালাচ্ছে। শেষ মুহূর্তের প্রচার বলে দিচ্ছে বিরোধী পক্ষের আশা এবং ক্ষমতাসীনদের শঙ্কা দুইই জোরদার। না হওয়ার কারণও নেই। কারণ এবারের এই মধ্যবর্তী নির্বাচন দেশটির অনেক হিসাব বদলে দিতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বহির্বিশ্বেও।
ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান দলের নেতারা এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন। সুইং স্টেট নামে পরিচিত পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর ফল নিজেদের দিকে টানতে মাঠে নেমেছেন দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বারাক ওবামা। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কোনো বদল হবে না। তবে ক্ষমতার উৎসস্থল আইনসভার হিসাব বদলে যেতে পারে।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ, গর্ভপাত সম্পর্কিত আইন ইত্যাদি নিয়ে মার্কিন রাজনীতি অনেকটা টালমাটাল। জো বাইডেন প্রশাসন বেশ চাপে আছে বলতে হবে। এই চাপের সাথে যুক্ত হয়েছে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্য প্রশ্নে বাইডেন প্রশাসনের প্রকাশ্য অবস্থান। আর অর্থনীতির জটিল-কঠিন সমীকরণ তো আছেই।
এবারের নির্বাচনের ফল বলে দেবে জো বাইডেন কার্যকর নাকি কাগুজে প্রেসিডেন্ট হবেন। আইনসভার উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ চলে গেলে, বিশেষত সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে প্রশাসনে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কমে যাবে। যে বিষয়গুলোতে বড় প্রভাব পড়তে পারে- গর্ভপাতের অধিকার, ট্রাম্পের পুনর্নিবাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা, ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে কংগ্রেস কমিটি দিয়ে তদন্ত পরিচালনা, ইরানের সাথে থাকা ছয়জাতি নিউক্লিয়ার চুক্তি, ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সরাসরি অংশ নেওয়া, মধ্যপ্রাচ্যনীতি ইত্যাদি।